সমসাময়িক কালে লোকসংগীতের অপ্রচলিকতা

Author(s): Saraswati Hembrom
Ex-Student, Dept. of Bengali
Kharagpur College, Kharagpur
Paschim Medinipur, West Bengal, India
Email: sarahembram890@gmail.com
Page no: 207-211 

Abstract: বাংলার লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম দিক হল সংগীত। এই সংগীত হল মানুষের ভাষা, সুর, কথা, কাহিনী, গল্প বলার মাধ্যম। গ্রাম বাংলার মানুষের মুখে নানা ধরণের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে সংগীত পরিবেশিত হয় যা লোকসংগীত নামে পরিচিত। এই সংগীত শুধুমাত্র সংগীত নয়, মানুষের জীবিকা, আনন্দ-উল্লাস, সুখ-দুঃখ, ব্যথা-যন্ত্রনা সমস্ত কিছু। আমরা কেউ জানি না কীভাবে বা কোথ্থেকে লোকসংগীতের সৃষ্টি হয়েছে? বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান, সামাজিক, পূজা-পার্ব্বণ সমস্ত দিক থেকে লোকসংগীতের সৃষ্টি। পশ্চিমবঙ্গের এমন কিছু স্থান বা এলাকা রয়েছে যেখানে মানুষ এখনও লোকসংগীতকে আগলে রেখেছে, কেননা তাদের ভয় উচ্চ-শিক্ষিত সমাজ তাদের সংগীতকে ধ্বংস করে দেবে, কেড়ে নেবে তাদের সৃষ্টি করা সংগীত। এখনও মানুষের মধ্যে ভয়-ভীতি কাজ করে যার জন্য তারা এই অঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসতে চায় না। আমাদের মতন যারা আছেন তারা চায় যেকোনো শিল্পকে সমাজের সামনে তুলে ধরে এবং উচ্চ-শিক্ষিত মানুষদের বোঝাতে যে কতটা প্রতিভা এই গ্রাম বাংলার মানুষের মধ্যে রয়েছে। এমনও শহরে বসবাসী মানুষজন রয়েছে তারা গ্রামের সংগীতকে ভুলতে পারেন না। সবসময় তাদের মন চায় প্রাণ ভরে লোকসংগীত শুনতে। তাই আমাদের উচিত লোকসংগীতকে বর্তমান সময়ের সাথে উপযোগী করে এবং নতুন সংগীত সৃষ্টি করে জনসাধারণের মনে কৌতুহল বাড়িয়ে লোকসংগীতকে নতুন পথে চলতে সহযোগিতা করা।
Keywords: লোকসংগীত, অপ্রচলিকতা, দর্পণ, পল্লীগীতি, প্রাণজাতি, প্রচারিত।

Scroll to Top