Sutapa Das Research Scholar, Dept. of Sanskrit Supervisor: Dr. Bipad Bhanjan Pal Seacom Skills University, Dept. of Sanskrit, Santiniketan, West Bengal, India Email: sutapa.sanskrit@gmail.com
Abstract: সাংখ্যদর্শনে পুরুষ (চেতন, নিষ্ক্রিয়) এবং প্রকৃতি (জড়, সক্রিয়)—এই দুই মূল তত্ত্ব সহ মোট পঁচিশটি তত্ত্ব স্বীকার করা হয়। জগতের সৃষ্টি হয় এই দুইয়ের সান্নিধ্যে, এবং মুক্তির জন্য প্রয়োজন বিবেকজ্ঞান। তত্ত্বজ্ঞান লাভের জন্য সাংখ্যমতে প্রত্যক্ষ, অনুমান ও শব্দ এই তিনটি প্রমাণ স্বীকৃত। প্রমা বা যথার্থ জ্ঞান হলো সেই জ্ঞান, যা অসংশয়, অবাধিত এবং পূর্বে অজ্ঞাত বা অনধিগত বিষয়কে প্রকাশ করে (কুমারিল ভট্ট ও নারায়ণ ভট্টের মতে)। ন্যায়-বৈশেষিকেরা স্মৃতিকে প্রমা হিসেবে স্বীকার করেন না, কারণ স্মৃতি পূর্বানুভূত বিষয়ভিত্তিক। সাংখ্যমতে, প্রমা হলো পুরুষের প্রতিবিম্ব দ্বারা উদ্ভাসিত চিত্তবৃত্তি বা বুদ্ধিবৃত্তি। ইন্দ্রিয় দ্বারা বাহ্য বিষয়ের আকার ধারণ করা এই বুদ্ধিবৃত্তিকে প্রমাণ বলে এবং এই বৃত্তিতে প্রতিবিম্বিত পুরুষনিষ্ঠ বোধকে প্রমা (ফল) বলা হয় (বাচস্পতি মিশ্র)। সাংখ্যদর্শনে ভ্রমজ্ঞান স্বীকার করা হয় না, বরং রজ্জুতে সর্পজ্ঞানকে দুটি ভিন্ন জ্ঞান (প্রত্যক্ষ ও স্মরণ) রূপে ব্যাখ্যা করা হয়। যদিও ব্যবহারিক অর্থে অকর্তা পুরুষ যখন নিজেকে কর্তা বা ভোক্তা মনে করে, তাকে ভ্রমজ্ঞানই বলতে হয়। এই ভ্রম বা অবিদ্যা (তমোগুণের অবস্থা) দূর হলেই মুক্তি লাভ সম্ভব।
Keywords: সাংখ্য দর্শন, ত্রিবিধ প্রমাণ, প্রমা, পুরুষ ও প্রকৃতি, চিত্তবৃত্তি