সংস্কৃত পুঁথিচর্চার ইতিহাস ও গুরুত্ব

Author(s): Dr. Surojit Mondal
State Aided College Teacher-I
Dept. of Sanskrit
Vivekananda Mahavidyalaya
Burdwan, West Bengal, India
Email: surojitmondalsns@gmail.com
Page no: 412-419

Abstract: শোধপ্রবন্ধটিতে মাতৃকাবিজ্ঞান বা পুঁথিচর্চার গুরুত্ব ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কীভাবে প্রাচীন ভারতে বেদ মৌখিক পরম্পরা থেকে লিখিত পুঁথিতে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তন মৌখিক শিক্ষার সীমাবদ্ধতা দূর করে এবং জ্ঞান সংরক্ষণে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। শোধপ্রবন্ধটিতে দেখানো হয়েছে যে, কীভাবে প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্রগুলো, যেমন তক্ষশীলা ও নালন্দা, পুঁথির সহায়তায় জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল এবং এটি কীভাবে চাণক্য ও জীবকের মতো পণ্ডিতদের বিকাশে সহায়তা করেছিল।
পুঁথিচর্চার বিভিন্ন সামাজিক দিকও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এই শোধপ্রবন্ধে আরো প্রতিপাদিত হয়েছে, কীভাবে একসময় পুঁথি কেবলমাত্র গুরু ও পণ্ডিতদের কাছেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে অনুলিপির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছেও জ্ঞানের দ্বার উন্মুক্ত হয়। শোধপ্রবন্ধটি এটাও উল্লেখ করে যে, ছাপাখানার আগমন সত্ত্বেও পুঁথির গুরুত্ব কমে যায়নি, বরং এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সবশেষে, এটি পুঁথির ব্যবহারিক গুরুত্বের কথা তুলে ধরে—যেমন লেখকের কাল ও গ্রন্থের প্রকৃত রূপ নির্ণয়, পাঠান্তরের সমস্যা সমাধান, এবং নতুন গবেষণা ও সম্পাদনার জন্য এর অপরিহার্যতা।

Keywords: মাতৃকাবিজ্ঞান, পুঁথি, মৌখিক পরম্পরা, তক্ষশীলা-নালন্দা, সামাজিক গুরুত্ব।

Scroll to Top