সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যে বর্ণপ্রথা

Author(s): Subrata Khanra
Assistant Professor
Dept. of Sanskrit
A. K. P. C Mahavidyalaya
Bengai, West Bengal, India
Email: subratakhanra89@gmail.com
Page no: 311-316

Abstract: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ভিত্তি গঠনে বর্ণব্যবস্থা তথা বর্ণপ্রথা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে। আর সংস্কৃত নাট্যসাহিত্য সেই বর্ণব্যবস্থা বা শ্রেণিবিন্যাসমূলক ব্যবস্থার একটি সমৃদ্ধ চিত্র প্রদান করে থাকে। সমাজ যে, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র— এই চার বর্ণে বিভক্ত হয়েছিল, তা কিন্তু কেবল জন্মের ভিত্তিতে নয়। এরূপ বিভাজনের মূলে যে ছিল গুণ (গুণ) ও কর্ম (কর্তব্য) তার প্রকৃষ্ট নিদর্শন পাই সংস্কৃত সাহিত্য বিশেষতঃ নাট্য সাহিত্যে। সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত নাট্যকার কালিদাস, ভাস, শূদ্রক প্রমুখের রচনায় পূর্বোক্ত বর্ণ চতুষ্ঠয়ের কার্যকর ভূমিকা, বিশেষাধিকার ও সীমাবদ্ধতা জীবন্তভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। চতুর্বণের বিভাজন যে কর্তব্য কর্মের নিরিখে ছিল তার দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে ব্রাহ্মণাদি বর্ণের কথা। ব্রাহ্মণরা ছিলেন জ্ঞান, আচার ও আধ্যাত্মিক কর্তৃত্বের ধারক; অন্যদিকে ক্ষত্রিয়রা রাজা, যোদ্ধা ও সামাজিক শৃঙ্খলার রক্ষক; বৈশ্যরা বাণিজ্য, কৃষি ও অর্থনৈতিক কল্যাণে নিয়োজিত; আর শূদ্ররা সেবাদাতা শ্রেণি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে এবং প্রায়শই তাদের প্রান্তিক এবং বৈদিক জ্ঞানে প্রবেশাধিকারের বাইরে রাখা হয়েছে। এই পত্রে মূল যে বিষয়টির উপর আলোকপাত করা হবে সেটি হল সংস্কৃত নাট্যসাহিত্য কেবল তার সময়ের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকেই উপস্থাপন করে না, বরং ভারতীয় সংস্কৃতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বর্ণব্যবস্থার টানাপোড়েন, অভিযোজন এবং ক্রমবিকাশমান ব্যাখ্যাকেও প্রতিফলিত করে।

Keywords: বর্ণব্যবস্থা, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র।
Scroll to Top